জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

দেওয়ানী কার্যবিধি সংশোধনী বিল পাস করেছে সংসদ


প্রকাশন তারিখ : 2017-09-12

দেওয়ানী কার্যবিধি সংশোধনী বিল পাস করেছে সংসদ

 

 

প্রকাশিত :১২.০৯.২০১৭, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
 

 

maxresdefault

লিগ্যাল এইড অফিসারের কাছে আদালতের মামলা পাঠানোর বিধান যুক্ত করে দেওয়ানী আদালতের কার্যবিধি সংশোধনী বিল পাস করেছে সংসদ।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত ‘কোড অব সিভিল প্রসিডিউর (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০১৭’ কণ্ঠভোটে পাস হয়। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। এর আগে বিলের ওপর আনীত সংশোধনী ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

বিলের গুরত্ব তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, বিকল্প বিরোধ পদ্ধতি নিষ্পত্তির মাধ্যমে চলমান কোনো মামলা নিষ্পত্তির আইন থাকলেও বিদ্যমান দেওয়ানী আইনে এই লিগ্যাল এইড অফিসারদের কাছে মামলা পাঠানোর সুযোগ নেই। তাই আইনগত সহায়তা দেয়ার আইন বলে লিগ্যাল অফিসার নিয়োজিত থাকলেও তারা এ বিষয়ে আইনগতভাবে কিছু করতে পারেন না। এ কারণে দেওয়ানী আদালত থেকে লিগ্যাল এইড অফিসারের কাছে মামলা পাঠানোর বিধান যুক্ত করে আইন সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে এই বিলে। এতে বিচারপ্রার্থী পক্ষরা মধ্যস্থতা বা সালিশের পদ্ধতিতে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে নিজেদের মধ্যে বিদ্যমান বিরোধ নিষ্পত্তি করতে চাইলে আদালত মামলাটি লিগ্যাল এইড অফিসারের সহযোগিতার জন্য তাদের কাছে পাঠাতে পারবেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০০০ সালে প্রণীত ‘আইনগত সহায়তা আইনে’ নতুন ২১ক ধারা সংযোজন করতে ২০১৩ সালে আইনটি সংশোধিত হয়। এতে বলা হয়, কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক উহার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের আওতাধীন এলাকায় কর্মরত লিগ্যাল এইড অফিসারের কাছে বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কোনো বিষয় পাঠানো হলে তা নিষ্পত্তির ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের থাকবে। কিন্তু আইনের এই ধারা কার্যকর করতে হলে ‘কোড অব সিভিল প্রসিডিউর আইন ১৯০৮-এর কতিপয় ধারা সংশোধন করে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদালতকে ক্ষমতায়ন করা প্রয়োজন। সেজন্য এই বিলে আইনের সেকশন ৮৯এ এর সাব সেকশন ১, ৩, ৪, ৫ ও ৮ এর সংশোধনী আনার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।


Share with :
Facebook Facebook